Editors Choice

3/recent/post-list

ভারতে ইলিশ মাছ উপহার হিসেবে যাচ্ছে না, বরং রপ্তানি করা হবে!

 ভারতে ইলিশ মাছ উপহার হিসেবে যাচ্ছে না, বরং রপ্তানি করা হবে!

ভারতে ইলিশ মাছ উপহার হিসেবে যাচ্ছে না, বরং রপ্তানি করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান। তিনি বলেন, এই রপ্তানি থেকে বাংলাদেশ সরকার রাজস্ব পাবে এবং এই আয়কে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই।

সোমবার সকালে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুছাপুর রেগুলেটর এলাকা পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকে এসব কথা জানান তিনি। রিজওয়ানা হাসান আরও বলেন, এখনো ইলিশ ভারতে পাঠানো হয়নি, কেবল রপ্তানির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এর আগেই ইলিশের দাম বেড়ে যাওয়ার বিষয়ে তিনি মন্তব্য করেন, রপ্তানির কারণে দাম আরও বাড়বে এমন ধারণা সঠিক নয়, কারণ বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, যারা ইলিশ চাচ্ছে, তারাও অতীতে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সমর্থন দিয়েছে। প্রতিবেশীর সঙ্গে সম্পর্ক ভালো রাখা এবং ছোটখাটো বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

নদী থেকে বালু উত্তোলন প্রসঙ্গে রিজওয়ানা বলেন, এটি এখন "জাতীয় দস্যুতায়" পরিণত হয়েছে। বিভিন্ন জেলা প্রশাসকরা জনগণের আপত্তি সত্ত্বেও রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যে বালুমহাল ঘোষণা করছে। যদিও বালুমহাল ঘোষণা করা যায়, তেমনি বিলুপ্তিরও সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সরকারিভাবে ড্রেজিং করা উচিত, বালু ব্যবসায়ীদের হাতে নদীর ড্রেজিং তুলে দেয়া বুদ্ধিমানের কাজ নয়। লোনা পানির আগ্রাসন ঠেকাতে মুছাপুর রেগুলেটরের প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি নির্মাণের প্রক্রিয়া সময়সাপেক্ষ। দ্রুতগতিতে কাজ শুরু করলেও রেগুলেটর তৈরি করতে দুই থেকে তিন বছর সময় লাগবে।

পরিদর্শনের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব নাজমুল আহসান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মুহাম্মদ আমিরুল হক ভূঁইয়া, নোয়াখালী জেলা প্রশাসক খন্দকার ইসতিয়াক আহমেদসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, ইলিশ রপ্তানির সিদ্ধান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক পদক্ষেপ এবং সরকার এর মাধ্যমে দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে সচেষ্ট।

Post a Comment

0 Comments