গাজার হাসপাতালে ইসরাইলি হামলা: জাতিসংঘ বলছে ‘বিপর্যয়কর পরিস্থিতি’
গাজার ওপর ইসরাইলি হামলার নতুন কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে উত্তর গাজার বিভিন্ন শরণার্থী শিবির এবং হাসপাতাল। গত শনিবার কামাল আদওয়ান হাসপাতালের ওপর হামলা চালিয়ে ইসরাইলি সেনারা এটি ধ্বংস করে ফেলে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রেইয়েসুস বলেন, অবরুদ্ধ উত্তর গাজায় ইসরাইলের সামরিক অভিযানের কারণে স্বাস্থ্যসেবা severely সীমিত হয়ে পড়েছে। এ কারণে তিনি ‘বিপর্যয়কর পরিস্থিতি’ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।
রোববার (৭ অক্টোবর) আল জাজিরা জানিয়েছে, টেড্রোস বলেন, “উত্তর গাজার পরিস্থিতি অত্যন্ত গুরুতর। স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে, যার ফলে চিকিৎসা সরবরাহের ঘাটতির কারণে মানুষের জীবন রক্ষাকারী জরুরি সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।”
কামাল আদওয়ান হাসপাতালটি উত্তর গাজার শেষ কার্যকরী হাসপাতাল ছিল। গত শুক্রবার ইসরাইলি বাহিনীর আক্রমণের পর সেখানে ৩০ জন স্বাস্থ্যসেবা কর্মীকে গ্রেফতার করা হয় এবং শনিবার ভোরে ইসরাইলি সেনারা চলে যায়।
টেড্রোস আরও বলেন, “গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বিশ্ব স্বাস্থ্যকে জানিয়েছে যে, হাসপাতালের কর্মীদের সাথে কর্তৃপক্ষের সাময়িকভাবে যোগাযোগ হারিয়ে গেছে। ইসরাইলের অবরোধ শেষ হলেও চিকিৎসক, নার্স এবং রোগীদের ভারী মূল্য দিতে হচ্ছে।”
ইসরাইলি হামলায় ২ শিশুসহ ১৮ জন ফিলিস্তিনি নির্মমভাবে নিহত হয়েছে। এর ফলে গত ২২ দিনের অবরোধ ও অভিযানে উত্তর গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭০০ ছাড়িয়েছে।
ইসরাইলের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, হাসপাতাল এলাকায় হামাস নেতাদের লুকিয়ে থাকার গোয়েন্দা তথ্য তাদের কাছে রয়েছে, তাই তারা সেখানে হামলা চালাচ্ছে এবং নিয়মিত তল্লাশী পরিচালনা করছে।


5 Comments
জাতিসংঘ কি বসে বসে মজা নিচ্ছে?ওনাদের কি মেরুদণ্ড নেই,কোন কিছু করার ক্ষমতা নেই? নিরীহ মানুষদের এভাবে মেরে ফেলা হচ্ছে??????
ReplyDeleteদুঃখজনক
ReplyDeleteদ্রুত শাস্তির ব্যবস্থা করুন। ইসরাইলকে ধ্বংস করা উচিত।
ReplyDeleteএরা বর্বর জাতি। ইহুদিদের ধ্বংস করা হউক।
ReplyDeleteWe need to destroy them!
ReplyDelete