কৃষি মন্ত্রণালয়ে সরকারকে ব্যর্থ করতে ষড়যন্ত্র
বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে, যা কৃষি মন্ত্রণালয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের মাধ্যমে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের দুই মাস পেরিয়ে গেলেও কৃষি মন্ত্রণালয়ে পরিবর্তন আসেনি। সাবেক কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক গ্রেফতার হলেও তার সাজানো প্রশাসন এখনও সক্রিয়। অভিযোগ উঠেছে যে, এই কর্মকর্তারা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছেন। কৃষি সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করছেন, সঠিক সিদ্ধান্ত না নিলে ফসল উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদা আকতার, যিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ছিলেন, ১৩তম বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের সদস্য। গত ৪ আগস্ট স্বৈরাচারী সরকারের পতনের আগে তিনি কৃষিবিদদের রাস্তায় নামাতে সক্রিয় ছিলেন। তার চুক্তি বাতিল হলেও, তার সৃষ্ট প্রশাসনের বেশিরভাগ কর্মকর্তারা বহাল তবিয়তে রয়েছেন।
বর্তমানে মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে নিয়োগ পান ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান। তিনি শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীর উদযাপনের জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সমন্বয়ক ছিলেন, যার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে অর্থ আত্মসাতের। সচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর, তিনি আওয়ামীপন্থী কর্মকর্তাদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সম্প্রতি, অতিরিক্ত সচিব ড. মলয় চৌধুরীকে ওএসডি করে সরকার, কিন্তু সচিব তাকে অফিসে ফিরিয়ে এনেছেন।
মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ও যুগ্ম সচিবরা জানান, সরকার বিরোধী প্রপাগান্ডার অংশ হিসেবে কয়েকজন সাবেক জেলা প্রশাসক এখনও মন্ত্রণালয়ে বহাল রয়েছেন। তাদের মধ্যে রয়েছেন যুগ্ম সচিব মোহাম্মাদ এনামুল হক, ড. সাবিনা ইয়াসমিন ও দেবী চন্দ।
কৃষি মন্ত্রণালয়ে থাকা এসব কর্মকর্তার কারণে কৃষি উৎপাদনের সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে গড়িমসি দেখা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি যদি চলতে থাকে, তাহলে দেশের কৃষি খাত বিপদে পড়তে পারে। কৃষি সচিব ড. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান এর সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার সাথে সাক্ষাৎ করা সম্ভব হয়নি।
কৃষি মন্ত্রণালয়ে যেসব সমস্যা চলছে, সেগুলো সমাধান করা জরুরি, অন্যথায় কৃষি খাতের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।


3 Comments
এরা চোরের দোসর।
ReplyDeleteএদেরকে বরখাস্ত করা হোক।
ReplyDeleteএরা সব চোরের খনি।
ReplyDelete