সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা
ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ এবং তার স্ত্রী দিলশাদ নাহার কাকলীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশটি দেওয়া হয়।
দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। সাবেক এই সেনাপ্রধানের বিরুদ্ধে দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। তিনি ২০১২ সাল থেকে চার বছর পর্যন্ত বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবির নেতৃত্বে ছিলেন।
অভিযোগ রয়েছে যে, তার ভাই হারিস ও জোসেফের নাম বদলে পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে আজিজ আহমেদের সহযোগিতা ছিল। এছাড়া, জোসেফের সাজা মওকুফ করানোর বিষয়েও তার নাম এসেছে। আলজাজিরা কর্তৃক প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তার দুর্নীতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
আজিজ আহমেদ ২০২১ সালের ২৩ জুন অবসরে যান। অবসরের তিন বছর পর দুর্নীতির অভিযোগে তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আসে, যার ফলে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।
এই ঘটনাগুলি দেশের রাজনৈতিক এবং সামাজিক পরিসরে যথেষ্ট আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি করেছে। আদালতের এই আদেশ আসলে দুর্নীতি দমন কার্যক্রমের প্রতি সরকারের কঠোর মনোভাবকে নির্দেশ করে।
অভিযোগ রয়েছে যে, তার ভাই হারিস ও জোসেফের নাম বদলে পাসপোর্ট করার ক্ষেত্রে আজিজ আহমেদের সহযোগিতা ছিল। এছাড়া, জোসেফের সাজা মওকুফ করানোর বিষয়েও তার নাম এসেছে। আলজাজিরা কর্তৃক প্রকাশিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে তার দুর্নীতির বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে।
আজিজ আহমেদ ২০২১ সালের ২৩ জুন অবসরে যান। অবসরের তিন বছর পর দুর্নীতির অভিযোগে তার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আসে, যার ফলে তিনি এবং তার পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।
এই ঘটনাগুলি দেশের রাজনৈতিক এবং সামাজিক পরিসরে যথেষ্ট আলোচনা ও সমালোচনা সৃষ্টি করেছে। আদালতের এই আদেশ আসলে দুর্নীতি দমন কার্যক্রমের প্রতি সরকারের কঠোর মনোভাবকে নির্দেশ করে।


3 Comments
এরা দূর্নীতিবাজ, এদের কঠোর শাস্তি দাবি করছি
ReplyDeleteএরা চোরের দল
ReplyDeleteএদেরকে বিচারের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।
ReplyDelete