হরিয়ানা ও কাশ্মিরে মোদির জন্য অস্বস্তির পূর্বাভাস
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য নতুন একটি রাজনৈতিক অস্বস্তির খবর আসতে চলেছে। জম্মু ও কাশ্মির এবং হরিয়ানা রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের বুথফেরত সমীক্ষাগুলো দেখাচ্ছে, বিজেপি এই দুই বিধানসভায় হারতে পারে। লোকসভা ভোটের পর এটি মোদির জন্য প্রথম বড় নির্বাচনের সুযোগ, এবং এতে কংগ্রেসের শক্তিশালী প্রত্যাবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে।
হরিয়ানায় ১০ বছর পরে কংগ্রেস আবারও ক্ষমতায় আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে, যেখানে বিজেপির অবস্থান দুর্বল হতে পারে। অন্যদিকে, জম্মু ও কাশ্মিরে ন্যাশনাল কনফারেন্স এবং কংগ্রেসের জোট ক্ষমতায় ফিরতে সক্ষম হতে পারে।
বিভিন্ন বুথফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী, হরিয়ানার ৯০টি বিধানসভা আসনের মধ্যে কংগ্রেসের ৫০-৫৮, বিজেপির ২০-২৮, এবং অন্যান্য দলগুলোর আসন হতে পারে ১০-১৪। অর্থাৎ, কংগ্রেসের ভোট শেয়ার প্রায় ৪৬ শতাংশ এবং বিজেপির ৩৬ শতাংশ হতে পারে, যা তাদের মধ্যে প্রায় ১০ শতাংশের ব্যবধান নির্দেশ করছে।
একইভাবে, জম্মু ও কাশ্মিরের ৯০টি আসনের মধ্যে এনসি-কংগ্রেস জোটের ৪০-৪৮, বিজেপির ২৭-৩২ এবং পিডিপির ৬-১২ আসন জিততে পারে বলে পূর্বাভাস রয়েছে।
এই নির্বাচনের ফলাফল ৮ অক্টোবর গণনার মাধ্যমে জানা যাবে, যেখানে দুই বিধানসভাতেই আসনসংখ্যা ৯০ এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৪৬ আসন।
এর আগে, ২০১৯ সালে হরিয়ানায় বিজেপি ৪০, কংগ্রেস ৩১, জেজেপি ১০ এবং আইএনএলডি ১ আসনে জয়ী হয়েছিল। তবে এবার বুথফেরত সমীক্ষাগুলো দেখাচ্ছে যে আইএনএলডি তৃতীয় স্থানে চলে যেতে পারে।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাবলী এবং জনগণের মনোভাবের পরিবর্তনকে পুঁজি করে কংগ্রেসের পুনরুত্থান সম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। তবে, বিজেপি এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে তাদের শক্তি বজায় রাখতে চাইবে।
এখনকার পরিস্থিতি এবং ভোটের ফলাফল দেখতে হলে আমাদের আগামী মঙ্গলবারের (৮ অক্টোবর) গণনার দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।


3 Comments
Every body appreciate you are looser.
ReplyDeleteতোমার পরাজয়ের খবরে আমরা আনন্দিত!
ReplyDeleteআল্লাহ জালিমদের এভাবেই পরাজিত করবেন ইনশাআল্লাহ।
ReplyDelete