হঠাৎ কেন ইরান সফরে সৌদি সেনাপ্রধান?
ইরানের রাজধানী তেহরান সফর করেছেন সৌদি সেনাপ্রধান ফায়াদ আল-রুয়ালি। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে আলোচনা করতে সৌদি সেনাপ্রধান এ সফর করেছেন। রোববার (১০ নভেম্বর) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে জানানো হয়, সৌদি সেনাপ্রধান তেহরানে ইরানের সেনাপ্রধান মোহাম্মদ বাঘেরির সঙ্গে এক বৈঠকে অংশ নেন, যেখানে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয়।
এ সফরের মাধ্যমে সৌদি আরব এবং ইরানের মধ্যে সামরিক সহযোগিতার নতুন দিগন্তের সূচনা হতে পারে। বিশেষত, ২০২৩ সালে চীনের মধ্যস্থতায় ইরান এবং সৌদি আরব তাদের সাত বছরের দীর্ঘ বিরোধ শেষ করে সম্পর্ক পুনঃস্থাপন করেছে। এর পর থেকে দুই দেশের মধ্যে একাধিক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার মধ্যে প্রতিরক্ষা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা বিষয়ক আলোচনা ছিল মুখ্য।
সৌদি-ইরান সম্পর্কের পরিবর্তিত গতিপথ
সৌদি আরব ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন না করলেও, আমেরিকার মধ্যস্থতায় ইসরাইলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়তে আগ্রহী। এই প্রেক্ষাপটে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এবং আমেরিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাই জ্যারেড কুশনারের মধ্যে একাধিকবার আলোচনা হয়েছে। যদিও সৌদি আরব এখনও ইসরাইলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপন করেনি, তবুও আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক গতিপথের পরিবর্তনে ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের নতুন অধ্যায় উন্মোচন হতে পারে।
এ সফরের সময়, সৌদি সেনাপ্রধান ফায়াদ আল-রুয়ালি এবং তার সঙ্গী সামরিক প্রতিনিধিদল তেহরানে গিয়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বিশেষ করে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং প্রতিরক্ষা খাতে উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ আলাপ-আলোচনা করেন।
এই সফর ইরান-সৌদি সম্পর্কের নতুন স্তরে প্রবেশের ইঙ্গিত দিতে পারে, যেখানে সামরিক সম্পর্কের পাশাপাশি রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্কেও জোর দেওয়া হতে পারে।


3 Comments
আমরাও আশাবাদী ভালো কিছুর জন্য।
ReplyDeleteঐক্য প্রচেষ্টা করুন।
ReplyDeleteএক সাথে চলুন।
ReplyDelete