সিন্ডিকেটের কারসাজিতে বাজারে অস্থিরতা: ভোক্তার জন্য কঠিন সময়

বাজার সিন্ডিকেটের কারসাজিতে দেশের সব শ্রেণির ভোক্তা বর্তমানে চরম আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, ডিম, মাছ-মাংসসহ প্রায় সব প্রকার খাদ্যপণ্যের দাম আকাশ ছুঁয়ে যাচ্ছে। সিন্ডিকেটের কারণে বাজার পরিস্থিতি টালমাটাল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে আলুর কেজি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ টাকা, এবং মৌসুমেও পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। সরবরাহ কমিয়ে সয়াবিন তেল উধাও করা হয়েছে, আর বেশিরভাগ সবজির কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে, কিছু কিছু সবজি ১০০ টাকার ওপরে চলে গেছে।

বিগত শেখ হাসিনার সরকারের আমলেও সিন্ডিকেট ভেঙে ভোক্তাকে স্বস্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি। বরং বিভিন্ন সময় শুল্ক ছাড় ও পণ্যের দাম বাড়ানোর মাধ্যমে সিন্ডিকেটকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণের কথা বললেও কোনো কার্যকর সমাধান দিতে পারছে না। এর ফলে আয়ের সাথে ব্যয় সামলাতে পারছে না দেশের সাধারণ মানুষ।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) রোববার জানিয়েছে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চালের দাম ৮ শতাংশ বেশি, ভোজ্যতেল ৯ শতাংশ, ডাল ৩ শতাংশ, রসুন ১৫.৯১ শতাংশ এবং হলুদ ২০ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। মাছ-মাংসের দামও ৭ থেকে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিগত সরকারের সময়ে ভোক্তা কোনো সুফল পায়নি, তাই বর্তমান সরকারের কাছ থেকে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তারা দ্রুত পরিবর্তন চায়, এবং সিন্ডিকেট ভাঙতে অ্যাকশন দেখতে চায়। তবে, সরকারের একাধিক সংস্থা খুচরা পর্যায়ে তদারকি করলেও, শক্তিশালী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যার কারণে সিন্ডিকেট ভাঙছে না।


বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাসে দেশে মূল্যস্ফীতির হার ১৬ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ১৪.১ শতাংশে পৌঁছেছে। এ অবস্থায়, বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিশেষ নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।

ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক এম কে মুজেরী জানিয়েছেন, সরকারকে সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্যদের চিহ্নিত করতে হবে এবং তাদের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। তিনি বলেন, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পণ্য পৌঁছানোর পথে যেসব শক্তিশালী সদস্য দাম বাড়াচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নিলে সিন্ডিকেট ভাঙা সহজ হবে।

বিশ্বব্যাংকের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, সিন্ডিকেট ধরতে সরকারের গোয়েন্দাগিরি প্রয়োজন। কিছু বাজারে, যেমন চাল, পেঁয়াজ, তেল, চিনির বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব স্পষ্ট, সেখানে সরাসরি অভিযান চালিয়ে বড় খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করতে হবে।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাবেক সভাপতি গোলাম রহমান বলেছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে সাধারণ ভোক্তা জিম্মি হয়ে পড়েছে। সরকার জানে, কারা পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে এবং কীভাবে এটি ঘটছে, তবে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন।

এদিকে, সয়াবিন তেলের সংকট মোকাবিলায় কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান।


সিন্ডিকেটের কারসাজিতে বাজারে অস্থিরতা: ভোক্তার জন্য কঠিন সময়

বাজার সিন্ডিকেটের কারসাজিতে দেশের সব শ্রেণির ভোক্তা বর্তমানে চরম আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, ডিম, মাছ-মাংসসহ প্রায় সব প্রকার খাদ্যপণ্যের দাম আকাশ ছুঁয়ে যাচ্ছে। সিন্ডিকেটের কারণে বাজার পরিস্থিতি টালমাটাল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে আলুর কেজি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ টাকা, এবং মৌসুমেও পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। সরবরাহ কমিয়ে সয়াবিন তেল উধাও করা হয়েছে, আর বেশিরভাগ সবজির কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে, কিছু কিছু সবজি ১০০ টাকার ওপরে চলে গেছে।

বিগত শেখ হাসিনার সরকারের আমলেও সিন্ডিকেট ভেঙে ভোক্তাকে স্বস্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি। বরং বিভিন্ন সময় শুল্ক ছাড় ও পণ্যের দাম বাড়ানোর মাধ্যমে সিন্ডিকেটকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণের কথা বললেও কোনো কার্যকর সমাধান দিতে পারছে না। এর ফলে আয়ের সাথে ব্যয় সামলাতে পারছে না দেশের সাধারণ মানুষ।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) রোববার জানিয়েছে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চালের দাম ৮ শতাংশ বেশি, ভোজ্যতেল ৯ শতাংশ, ডাল ৩ শতাংশ, রসুন ১৫.৯১ শতাংশ এবং হলুদ ২০ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। মাছ-মাংসের দামও ৭ থেকে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিগত সরকারের সময়ে ভোক্তা কোনো সুফল পায়নি, তাই বর্তমান সরকারের কাছ থেকে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তারা দ্রুত পরিবর্তন চায়, এবং সিন্ডিকেট ভাঙতে অ্যাকশন দেখতে চায়। তবে, সরকারের একাধিক সংস্থা খুচরা পর্যায়ে তদারকি করলেও, শক্তিশালী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যার কারণে সিন্ডিকেট ভাঙছে না।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাসে দেশে মূল্যস্ফীতির হার ১৬ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ১৪.১ শতাংশে পৌঁছেছে। এ অবস্থায়, বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিশেষ নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।

ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক এম কে মুজেরী জানিয়েছেন, সরকারকে সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্যদের চিহ্নিত করতে হবে এবং তাদের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। তিনি বলেন, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পণ্য পৌঁছানোর পথে যেসব শক্তিশালী সদস্য দাম বাড়াচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নিলে সিন্ডিকেট ভাঙা সহজ হবে।

বিশ্বব্যাংকের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, সিন্ডিকেট ধরতে সরকারের গোয়েন্দাগিরি প্রয়োজন। কিছু বাজারে, যেমন চাল, পেঁয়াজ, তেল, চিনির বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব স্পষ্ট, সেখানে সরাসরি অভিযান চালিয়ে বড় খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করতে হবে।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাবেক সভাপতি গোলাম রহমান বলেছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে সাধারণ ভোক্তা জিম্মি হয়ে পড়েছে। সরকার জানে, কারা পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে এবং কীভাবে এটি ঘটছে, তবে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন।

এদিকে, সয়াবিন তেলের সংকট মোকাবিলায় কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান।

বাজার সিন্ডিকেটের কারসাজিতে দেশের সব শ্রেণির ভোক্তা বর্তমানে চরম আর্থিক চাপের মধ্যে রয়েছেন। চাল, ডাল, ভোজ্যতেল, ডিম, মাছ-মাংসসহ প্রায় সব প্রকার খাদ্যপণ্যের দাম আকাশ ছুঁয়ে যাচ্ছে। সিন্ডিকেটের কারণে বাজার পরিস্থিতি টালমাটাল হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে আলুর কেজি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮০ টাকা, এবং মৌসুমেও পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়। সরবরাহ কমিয়ে সয়াবিন তেল উধাও করা হয়েছে, আর বেশিরভাগ সবজির কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে, কিছু কিছু সবজি ১০০ টাকার ওপরে চলে গেছে।

বিগত শেখ হাসিনার সরকারের আমলেও সিন্ডিকেট ভেঙে ভোক্তাকে স্বস্তি দেওয়া সম্ভব হয়নি। বরং বিভিন্ন সময় শুল্ক ছাড় ও পণ্যের দাম বাড়ানোর মাধ্যমে সিন্ডিকেটকে সুবিধা দেওয়া হয়েছে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার বাজার নিয়ন্ত্রণের কথা বললেও কোনো কার্যকর সমাধান দিতে পারছে না। এর ফলে আয়ের সাথে ব্যয় সামলাতে পারছে না দেশের সাধারণ মানুষ।

সরকারি সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) রোববার জানিয়েছে, গত বছরের একই সময়ের তুলনায় চালের দাম ৮ শতাংশ বেশি, ভোজ্যতেল ৯ শতাংশ, ডাল ৩ শতাংশ, রসুন ১৫.৯১ শতাংশ এবং হলুদ ২০ শতাংশ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। মাছ-মাংসের দামও ৭ থেকে ১৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের কিছু নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিগত সরকারের সময়ে ভোক্তা কোনো সুফল পায়নি, তাই বর্তমান সরকারের কাছ থেকে মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তারা দ্রুত পরিবর্তন চায়, এবং সিন্ডিকেট ভাঙতে অ্যাকশন দেখতে চায়। তবে, সরকারের একাধিক সংস্থা খুচরা পর্যায়ে তদারকি করলেও, শক্তিশালী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, যার কারণে সিন্ডিকেট ভাঙছে না।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুলাই মাসে দেশে মূল্যস্ফীতির হার ১৬ বছরের রেকর্ড ভেঙেছে। খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার ১৪.১ শতাংশে পৌঁছেছে। এ অবস্থায়, বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বিশেষ নজরদারি ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন অর্থনীতিবিদরা।

ইনস্টিটিউট ফর ইনক্লুসিভ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক এম কে মুজেরী জানিয়েছেন, সরকারকে সিন্ডিকেটের সক্রিয় সদস্যদের চিহ্নিত করতে হবে এবং তাদের ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। তিনি বলেন, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পণ্য পৌঁছানোর পথে যেসব শক্তিশালী সদস্য দাম বাড়াচ্ছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নিলে সিন্ডিকেট ভাঙা সহজ হবে।

বিশ্বব্যাংকের সাবেক লিড ইকোনমিস্ট ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, সিন্ডিকেট ধরতে সরকারের গোয়েন্দাগিরি প্রয়োজন। কিছু বাজারে, যেমন চাল, পেঁয়াজ, তেল, চিনির বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব স্পষ্ট, সেখানে সরাসরি অভিযান চালিয়ে বড় খেলোয়াড়দের চিহ্নিত করতে হবে।

কনজুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) সাবেক সভাপতি গোলাম রহমান বলেছেন, কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর কারণে সাধারণ ভোক্তা জিম্মি হয়ে পড়েছে। সরকার জানে, কারা পণ্যের দাম বাড়াচ্ছে এবং কীভাবে এটি ঘটছে, তবে এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের প্রয়োজন।

এদিকে, সয়াবিন তেলের সংকট মোকাবিলায় কঠোর অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলীম আখতার খান।