হামাসের পরিকল্পনা: ইরান ও হিজবুল্লাহকে আক্রমণে রাজি করানোর চেষ্টা
গত বছরের ৭ অক্টোবর, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন হামাস ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলে সীমান্ত পেরিয়ে আকস্মিক হামলা চালায়। এরপর থেকে গাজা এখন যুদ্ধবিধ্বস্ত এক মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। টানা এক বছর ধরে চলমান এই ইসরাইলি আগ্রাসনের শেষ কবে হবে, তা নিয়ে সুনির্দিষ্ট কোন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। ৭ অক্টোবর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে এক নতুন অধ্যায় রচনা করেছে, যার ফলে যুদ্ধের তীব্রতা লেবানন ও সিরিয়াতেও ছড়িয়ে পড়েছে।
মার্কিন সংবাদপত্র নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, হামাস দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে ৭ অক্টোবরের হামলার পরিকল্পনা করছিল। এ সময় হামাস ইরান ও হিজবুল্লাহকে এই আক্রমণে যুক্ত করতে রাজি করানোর চেষ্টা করেছিল, যার ফলে হামলাটি এক বছর পিছিয়ে যায়।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত জানুয়ারিতে গাজায় জব্দ করা একটি কম্পিউটারে ইসরাইল একটি গোপন বৈঠকের ভিডিও পায়, যেখানে হামলার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, গত জানুয়ারিতে গাজায় জব্দ করা একটি কম্পিউটারে ইসরাইল একটি গোপন বৈঠকের ভিডিও পায়, যেখানে হামলার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।
তবে ইতোমধ্যে জাতিসংঘে ইরানের মিশন এই প্রতিবেদনটি প্রত্যাখ্যান করেছে। তারা বলেছে, "ইরান বা হিজবুল্লাহকে ইসরাইলে হামলার সঙ্গে যুক্ত করার দাবি বিশ্বাসযোগ্য নয়। পুরো প্রতিবেদনটি বানোয়াট নথি থেকে এসেছে।"
এখনও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি এবং যুদ্ধের প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ছে। হামাসের এই হামলার পেছনের পরিকল্পনা ও আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক জটিলতা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।


3 Comments
যৌথভাবে হামলা করতে পারলে ফলটা ভাল হত। আশা করি আরো বেশী হামলা করার ক্ষমতা আল্লাহ আমাদের দিবেন।
ReplyDeleteGo ahead
ReplyDeleteসকল মুসলিম রাষ্ট্র গুলো এক হয়ে ইসরায়েল কে সমূলে উৎপাটন করা দরকার।
ReplyDelete