ইরানের বিরুদ্ধে ইসরাইলের প্রতিশোধ অভিযান: ‘অনুতাপের দিন’
ইসরাইলি প্রতিরক্ষাবাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, গত ১ অক্টোবর ইরানের ২০০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রতিক্রিয়ায় শনিবার রাতে তেল আবিব একটি প্রতিশোধমূলক অভিযান চালিয়েছে। ইরানের অভিযানের নাম ছিল ‘অপারেশন ট্রু প্রমিজ-২’, আর ইসরাইলের এই অভিযানকে বলা হয়েছে ‘ডে’স অব রিপেন্টেনস’ বা ‘অনুতাপের দিন’।
শনিবার (২৬ অক্টোবর) টাইমস অব ইসরাইলের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আইডিএফের মুখপাত্র রিয়ার অ্যাড. ড্যানিয়েল হাগারি জানিয়েছেন, ইরানে হামলার লক্ষ্য সফলভাবে অর্জিত হয়েছে।
তারা উল্লেখ করেছে, ইসরাইল থেকে প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার দূরে এই অভিযানে যুদ্ধবিমান, জ্বালানি পরিবহণ ও গোয়েন্দা বিমানসহ কয়েক ডজন বিমান অংশ নেয়। জটিল এই অভিযানের পর সব বিমান নিরাপদে ইসরাইলে ফিরে আসতে সক্ষম হয়।
তারা উল্লেখ করেছে, ইসরাইল থেকে প্রায় ১,৬০০ কিলোমিটার দূরে এই অভিযানে যুদ্ধবিমান, জ্বালানি পরিবহণ ও গোয়েন্দা বিমানসহ কয়েক ডজন বিমান অংশ নেয়। জটিল এই অভিযানের পর সব বিমান নিরাপদে ইসরাইলে ফিরে আসতে সক্ষম হয়।
আইডিএফের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের বিভিন্ন স্থানে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে একাধিক হামলা চালানো হয়েছে, যেখানে বিমান প্রতিরক্ষা এবং ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সামরিক কেন্দ্রগুলিকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়।
ইরান ১৪ এপ্রিল ইসরাইলে হামলা চালানোর পর, পাল্টা হামলা চালায় ইসরাইল। এরপর ১ অক্টোবর ফের তেহরান হামলা করে, যার জবাব দিতে ইসরাইল এবার হামলা করেছে।
এদিকে, ইসরাইলি সামরিক বাহিনী হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, ইসরাইলের ওপর হামলা ইরানে বিমান অভিযানের ব্যাপক স্বাধীনতা দিয়েছে। ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর জন্য বৃহৎ পরিকল্পনা রয়েছে।
আইডিএফ জানিয়েছে, ইরানের ক্ষয়ক্ষতির তথ্য সময়মতো প্রকাশ করা হবে এবং তারা বলেছে যে, ইরান ইসরাইলের ওপর হামলার জন্য মূল্য দিতে হয়েছে। বর্তমানে, বেসামরিক নাগরিকদের জন্য কোনো বিশেষ নির্দেশনা জারি করেনি নেতানিয়াহু সরকার।


1 Comments
নিশ্চয়ই আল্লাহ জালিমদের সঙ্গে নেই।
ReplyDelete