চার খাতে বড় দুর্নীতি হয়েছে: দেবপ্রিয়
শ্বেতপত্র প্রণয়ন কমিটির প্রধান ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, দেশে চারটি খাতে সবচেয়ে বড় দুর্নীতি ঘটেছে। এসব খাত হলো—ব্যাংক খাত, জ্বালানি খাত, ভৌত অবকাঠামো এবং আইসিটি খাত। তিনি বলেন, এসব খাতের প্রকল্পগুলোতে অতিমূল্যায়ন, অনিয়ম, অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প তৈরি এবং বড় চুরির ঘটনা ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে এক মত বিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। সভাটি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনের নাজিয়া-সালমা সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরামের (ইআরএফ) সঙ্গে এক মত বিনিময় সভায় তিনি এসব মন্তব্য করেন। সভাটি রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের পরিকল্পনা কমিশনের নাজিয়া-সালমা সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ড. দেবপ্রিয় আরও বলেন, স্বৈরাচারী রাজনীতি অনাচারী অর্থনীতির সৃষ্টি করেছে, এবং এর প্রভাব আমাদের বর্তমান বিকলাঙ্গ অর্থনীতিতে দেখা যাচ্ছে। বড় বড় প্রকল্পের নামে কিছু অপ্রয়োজনীয় প্রকল্প গঠন করা হয়েছে। তিনি জানান, শ্বেতপত্র কমিটি যে বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিচ্ছে, তার মধ্যে রয়েছে—বর্তমান আর্থিক খাতের দূরাবস্থা ও সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা, এলডিসি উত্তরণের প্রভাব, এবং স্বল্প মেয়াদে বাজেট বিষয়ক জরুরি দিকগুলো।
ড. জাহিদ হোসেন বলেন, পুরনো ভ্রান্তি থেকে নতুন ভুল যাতে না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তথ্যের মধ্যে সমস্যা রয়েছে, যা কর্মকর্তাদের দায়িত্বহীনতা ও সরকারের হস্তক্ষেপের কারণে হয়েছে।
ড. সেলিম রায়হান বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর সরকারের রাজনৈতিক বৈধতার প্রশ্ন ওঠে। এর ফলে মূল প্রকল্প নির্ভর দুর্নীতি বেড়ে যায় এবং চামচামির পুঁজিবাদ তৈরি হয়।
ড. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, মেগা প্রকল্পগুলোতে অস্বচ্ছতা রয়েছে। এগুলোতে ঋণ নির্ভর প্রকল্পগুলোর স্বচ্ছতা ছিল না, ফলে প্রকল্পগুলোর ফলাফল নিয়ে যথেষ্ট ভাবনা হয়নি।
ড. নিলর্মী এবং ম. তামিম বলেন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের অবস্থা নিয়েও শ্বেতপত্রে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। তারা জানান, দুর্নীতি ও চুরির প্রক্রিয়া এবং যারা দুর্নীতি করে পুরস্কৃত হয়েছেন, তাদের বিষয়গুলোও উল্লেখ করা হবে।
ড. দেবপ্রিয় মন্তব্য করেন, গত ১৫ বছরে প্রকল্পে যেসব দুর্নীতি হয়েছে, তা প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের বাইরে হয়নি।


1 Comments
একদম ঠিক কথা বলেছেন। এখন যত দ্রুত সম্ভব পদক্ষেপ গ্রহণ করুন।
ReplyDelete