আগরতলায় সমাবেশের প্রস্তুতি: আ.লীগের দাবি এবং গুঞ্জন
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় একটি সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে দাবি করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। তাঁদের মতে, এই সমাবেশে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপস্থিতির সম্ভাবনা রয়েছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসুদ জানিয়েছেন, “ওই সমাবেশ থেকে আওয়ামী লীগ একটি প্রবাসী সরকারের ঘোষণা দিতে পারে এবং শেখ হাসিনা সেখানে বক্তব্য রাখতে পারেন।” অন্য সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহও একই তথ্য নিশ্চিত করেছেন এবং বলেন, “পালিয়ে গিয়েও খুনি হাসিনা দেশকে নিয়ে ষড়যন্ত্র করছেন। তাদের ষড়যন্ত্র বাংলার মাটিতে সফল হবে না।”
এই ঘটনার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে, এবং দেশব্যাপী আলোচনা চলছে আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ ও রাজনৈতিক কৌশল নিয়ে। যদিও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হয়নি, বেশ কিছু রাজনৈতিক দল ও সংগঠনের পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি তোলা হয়েছে।
আওয়ামী লীগের আগরতলায় সমাবেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে কিনা, সেটি নিয়ে আলোচনা চলছে। সমন্বয়কেরা দাবি করছেন, ভারতের মাটিতে সমাবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে আওয়ামী লীগ, কিন্তু বিষয়টি সম্পর্কে তারা কোথা থেকে তথ্য পেয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। মাসুদ বলেন, “আমাদের নিজস্ব কানেকশনের মাধ্যমে আমরা জানতে পেরেছি।”
অন্যদিকে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা এই দাবিকে ভিত্তিহীন এবং প্রোপাগান্ডা হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, “এগুলো সব ভিত্তিহীন, অসত্য এবং প্রোপাগান্ডা।” তিনি আরও বলেন, সরকার তাদের ব্যর্থতা ঢাকতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছে।
এছাড়া, আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী ইতোমধ্যে দেশ ছেড়েছেন এবং এখনও ছাড়ার চেষ্টা করছেন। নাছিম বলেন, “আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর যেভাবে অত্যাচার-নির্যাতন চলছে, তাতে কেউ যদি জীবন বাঁচাতে বিদেশে আশ্রয় নেয়, সেটি কি তিনি করতে পারবেন না?”
সার্বিকভাবে, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই পরিস্থিতি আওয়ামী লীগের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে এবং আগরতলায় সমাবেশের পরিকল্পনা বাস্তবে রূপ নেয় কিনা তা সময়ের ব্যাপার।


4 Comments
খুনি হাসিনাকে দ্রুত দেশে ফিরিয়ে এনে কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক যাতে উনি আর বাংলার সাধারণ মানুষের কোনো ক্ষতি করতে না পারে।
ReplyDeleteদেশের ভিতর যাও কোন গ্রহনযোগ্যতা নাই সেই খুনি হাসিনা আবার বিদেশে মিটিং করে কিভাবে। খুনিকে দ্রুত ফিরিয়ে আনুন গ্রেফতার করুন।
ReplyDeleteখুনি হাসিনাকে দ্রুত গ্রেফতার করুন।
ReplyDeleteখুনি স্বৈরাচার হাসিনাকে গ্রেফতার করুন
ReplyDelete