শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা: গণহত্যার অভিযোগ
আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে জুলাই ও আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সংঘটিত গণহত্যার অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। ট্রাইব্যুনাল আগামী ১৮ নভেম্বরের মধ্যে তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে বিচার কার্যক্রম শুরু হওয়ার পরই এই পরোয়ানা জারি করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে বেলা সাড়ে ১১টার পর বিচারকাজ শুরু হয়। প্রথমদিনে শেখ হাসিনাসহ ৫০ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা চেয়েছে ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন টিম।
এখন পর্যন্ত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুম, হত্যা এবং গণহত্যার মতো ৬০টির বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ এবং ১৪ দলের নেতা, সাংবাদিক, ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাবেক শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে।
গত ১৩ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট তাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, "এ সপ্তাহেই জুলাই গণহত্যায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হবে।" তিনি জানান, শেখ হাসিনাসহ বিদেশে পলাতকদের ফিরিয়ে আনতে ইন্টারপোলের সহায়তা নেওয়া হবে।
এই ঘটনা রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করেছে এবং অনেকেই এর প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছেন। বিচার প্রক্রিয়া কতদূর এগোবে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

3 Comments
ফাঁসি চাই
ReplyDeleteভালো পদক্ষেপ। ওনাদের দেশে এনে দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হোক।
ReplyDeleteকঠোর শাস্তি দাবি করে জনগণ
ReplyDelete