ফ্যাসিবাদের সব অস্তিত্ব মুছে যাবে: মুশফিকুল ফজল
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে সম্প্রতি নিষিদ্ধ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এ ঘটনার পর বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে প্রতিক্রিয়া। সিনিয়র সচিব পদমর্যাদায় সদ্য নিয়োগ পাওয়া রাষ্ট্রদূত ও সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল আনসারী এ সিদ্ধান্তকে একটি সেরা সিদ্ধান্ত হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, "নিষেধাজ্ঞার বিস্তৃতি ঘটবে সীমানা পেরিয়ে এবং ফ্যাসিবাদের সব অস্তিত্ব একে একে মুছে যাবে।"
বুধবার (২৩ অক্টোবর) রাতে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির মুখে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এখন সংগঠনটি নিষিদ্ধ সত্তা হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।
বুধবার রাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে, বিশেষ করে গত ১৫ বছর ধরে স্বৈরাচারী শাসনামলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নানা অপরাধে জড়িত ছিল, যেমন হত্যা, নির্যাতন, গণরুম কেন্দ্রিক নিপীড়ন, সিট-বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণ এবং যৌন নিপীড়ন। এসব কর্মকাণ্ডের প্রমাণ দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং কিছু ঘটনায় আদালতে তাদের অপরাধও প্রমাণিত হয়েছে।
সরকারের প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, গত ১৫ জুলাই থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ জনগণকে উন্মত্ত ও বেপরোয়া সশস্ত্র আক্রমণ করে শত শত নিরপরাধ শিক্ষার্থীকে হত্যা করেছে এবং আরও অসংখ্য মানুষের জীবন বিপন্ন করেছে।
এদিকে, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও ছাত্রলীগ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক এবং ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ সরকারের কাছে রয়েছে।
এসব কারণ উল্লেখ করে সরকার 'সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯'-এর ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং এই আইনের তফসিল-২-এ সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ সত্তা হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।
এ পরিস্থিতিতে মুশফিকুল ফজল আনসারীর মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক আবহাওয়া ও ছাত্র সংগঠনগুলোর কার্যক্রমের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করছে।
উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দাবির মুখে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এখন সংগঠনটি নিষিদ্ধ সত্তা হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছে।
বুধবার রাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময়ে, বিশেষ করে গত ১৫ বছর ধরে স্বৈরাচারী শাসনামলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নানা অপরাধে জড়িত ছিল, যেমন হত্যা, নির্যাতন, গণরুম কেন্দ্রিক নিপীড়ন, সিট-বাণিজ্য, টেন্ডারবাজি, ধর্ষণ এবং যৌন নিপীড়ন। এসব কর্মকাণ্ডের প্রমাণ দেশটির বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে এবং কিছু ঘটনায় আদালতে তাদের অপরাধও প্রমাণিত হয়েছে।
সরকারের প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, গত ১৫ জুলাই থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ জনগণকে উন্মত্ত ও বেপরোয়া সশস্ত্র আক্রমণ করে শত শত নিরপরাধ শিক্ষার্থীকে হত্যা করেছে এবং আরও অসংখ্য মানুষের জীবন বিপন্ন করেছে।
এদিকে, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পরও ছাত্রলীগ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক এবং ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার যথেষ্ট তথ্য-প্রমাণ সরকারের কাছে রয়েছে।
এসব কারণ উল্লেখ করে সরকার 'সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯'-এর ক্ষমতাবলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে এবং এই আইনের তফসিল-২-এ সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ সত্তা হিসেবে তালিকাভুক্ত করেছে।
এ পরিস্থিতিতে মুশফিকুল ফজল আনসারীর মন্তব্য দেশের রাজনৈতিক আবহাওয়া ও ছাত্র সংগঠনগুলোর কার্যক্রমের ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা সৃষ্টি করছে।


3 Comments
আমরাও সেটা চাই। ধন্যবাদ আপনাকে।
ReplyDeleteধন্যবাদ!! আমরাও আপনার সঙ্গে সহমত পোষণ করছি।
ReplyDeleteRight
ReplyDelete