Editors Choice

3/recent/post-list

বেনজীর আহমেদকে ৫ কোটি টাকা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর অভিযোগে মামলা

 বেনজীর আহমেদকে ৫ কোটি টাকা না দেওয়ায় ব্যবসায়ীকে ফাঁসানোর অভিযোগে মামলা


চট্টগ্রামে পুলিশের সাবেক আইজি বেনজীর আহমেদকে পাঁচ কোটি টাকা চাঁদা না দেওয়ায় এক ব্যবসায়ীকে মামলায় আসামি করার অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। বুধবার চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেনের আদালতে মামলা করেন ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদের ছেলে মোহাম্মদ নিবরাস। মামলার অন্যান্য আসামির মধ্যে আছেন সেনাবাহিনী থেকে সদ্য অব্যাহতি পাওয়া মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান এবং র্যাবের সাবেক এএসপি মহিউদ্দিন ফারুকী।

বাদীর আইনজীবী আবদুস সাত্তার প্রথম আলোকে জানান, আদালত বাদীর বক্তব্য গ্রহণ করে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) প্রাথমিক অনুসন্ধান করে তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, বাদীর বাবা নুর মোহাম্মদ একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী এবং খানজাহান আলী লিমিটেডের কর্ণধার। সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ নুর মোহাম্মদের কাছে পাঁচ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদা না দেওয়ায় নুর মোহাম্মদকে বন্দরের থানায় চোরাচালান ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় আসামি করা হয়। তবে তদন্তে ডিবি পুলিশ নুর মোহাম্মদের নাম বাদ দেয়।

২০১৬ সালের ১৪ জানুয়ারি, নুর মোহাম্মদকে পতেঙ্গায় র্যাব কার্যালয়ে ডেকে নেওয়া হয়। সেখানে বেনজীরের জন্য পুনরায় পাঁচ কোটি টাকা দাবি করেন এএসপি মহিউদ্দিন ফারুকী, নিজের জন্য দাবি করেন এক কোটি টাকা। টাকা না দেওয়ায় বাদীর বাবাকে গ্রেপ্তার করে র্যাব এবং পরে তাঁকে রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করা হয়।

২০১৫ সালের ৬ জুন পুলিশের তথ্যের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বন্দরে বলিভিয়া থেকে আসা সূর্যমুখী তেলের চালান জব্দ করা হয়। ২৭ জুন তেলের চালানের ১০৭টি ড্রামের মধ্যে একটি ড্রামের নমুনায় কোকেন শনাক্ত হয়। পরে সিআইডি ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের রাসায়নিক পরীক্ষাগারে কোকেন শনাক্ত হয়।

চট্টগ্রামের বন্দর থানায় ২০১৫ সালের ২৭ জুন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়। আদালতের নির্দেশে চোরাচালানের অভিযোগও সংযোজন করা হয়। চার মাসের তদন্তের পর ২০১৫ সালের নভেম্বরে আটজনকে আসামি করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়, যা আদালত গ্রহণ না করে র্যাবকে অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেয়। 

২০১৭ সালের ৩ এপ্রিল নুর মোহাম্মদসহ ১০ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও র্যাব-৭ চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুহম্মদ মহিউদ্দিন ফারুকী। 
এই মামলা নতুন রাজনৈতিক ও আইনগত বিতর্কের জন্ম দিতে পারে, যা সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে অনেককে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।

Post a Comment

1 Comments

  1. কুনজির এটা চোর, ধান্দা বাজ, বাটপার, এগুলার বিচার দ্রুত করতে হবে!

    ReplyDelete