Editors Choice

3/recent/post-list

১ জানুয়ারি থেকে প্রান্তিক খামার বন্ধের ঘোষণা

১ জানুয়ারি থেকে প্রান্তিক খামার বন্ধের ঘোষণা

দেশের প্রান্তিক খামারিরা আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ডিম-মুরগি উৎপাদন বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন। তাঁদের দাবি, বাজারে ছোট খামারিদের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়ানো এবং উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নেবে।

গত রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই ঘোষণাটি দিয়েছে বাংলাদেশ পোলট্রি অ্যাসোসিয়েশন (বিপিএ)। সংগঠনের সভাপতি মো. সুমন হাওলাদার জানান, প্রান্তিক পোলট্রি খামারিদের স্বার্থ রক্ষা ও করপোরেট কোম্পানির সিন্ডিকেট বন্ধের দাবিতে তাঁরা এই কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন।

বিপিএ সভাপতি বলেন, "প্রান্তিক পোলট্রি খাতের সমস্যা সমাধানের জন্য বারবার আহ্বান জানানোর পরও সরকার সেদিকে নজর দিচ্ছে না এবং উল্টো করপোরেট সিন্ডিকেটকে সহযোগিতা করছে। এতে পোলট্রি খাতে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতি হতে পারে।"

তিনি আরো বলেন, "বর্তমানে মুরগি ও ডিমের বাজারে অস্থিরতা চলছে, এতে প্রান্তিক খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।" এ পরিস্থিতি থেকে বের হতে সরকারকে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন বিপিএ।

সংগঠনটি সরকারের কাছে ১০ দফা দাবি জানিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—কেবল মুরগির খাদ্য ও বাচ্চা উৎপাদনে করপোরেট কোম্পানিগুলোকে সীমাবদ্ধ রাখা, তাদের মাধ্যমে মুরগি খাদ্য ও বাচ্চার দাম অযৌক্তিকভাবে বৃদ্ধি না করা, এবং প্রান্তিক খামারিদের জন্য সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্য ও বাচ্চা সরবরাহ নিশ্চিত করা।

বিপিএ আরও দাবি জানিয়েছে, প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, ক্ষুদ্র খামারিদের সহজ শর্তে ঋণ ও ভর্তুকি প্রদান, ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা, আলাদা বাজার সুবিধা তৈরি, করপোরেট সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ, চুক্তিভিত্তিক ফার্মিং বন্ধ করা, এবং প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ।

বিপিএ সভাপতি মো. সুমন হাওলাদার বলেন, "এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে দেশের পোলট্রি শিল্পে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং প্রান্তিক খামারিরা বাঁচবেন। তবে সরকার যদি দ্রুত পদক্ষেপ না নেয়, তাহলে আগামী ১ জানুয়ারি থেকে দেশের সব জেলা-উপজেলায় প্রান্তিক খামার বন্ধ রাখা হবে।"

Post a Comment

1 Comments

  1. ব্রয়রার স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর!!!

    ReplyDelete